এক রৌদ্রোজ্বল বিকেলে...

এক রৌদ্রোজ্বল বিকেলে...
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে

শনিবার, ২৬ জুন, ২০১০

বৃষ্টিভেজা মন

উড়ু উড়ু মন আমার উড়ে যেতে চায়
উড়তে পারেনা তবু বৃষ্টিতে ভেজা ডানায়
বুকের ছোট্ট নীড়ে অভুক্ত দিন কেটে যায়
বৃষ্টিতে একাকার অশ্রু ধুয়ে যায় চোখের কোণায় ।

নকশী কাঁথার মাঠে জল থই থই
ঘরে একা বিরহী সোনা নিরুদ্দেশ রুপই
তবুও থামেনা আলো আধারি অঝোর বৃষ্টি
উড়তে পারেনা মন, দুচোখে বিষণ্ণ দৃষ্টি ।

এমন বৃষ্টি চাই অবিরল অঝোর ধারায়
অন্তরের পংকিলতা যেন যায় মুছে যায় ।





শনিবার, জুন 26, 2010

শুক্রবার, ১৮ জুন, ২০১০

মোহ

যখন ধৈর্যের বাঁধ ভেঙ্গে যায়
কিংবা পিঠ ঠেকে যায় দেয়ালে
কিংবা নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসে
কুপির তেল হয়ে যায় নিঃশেষ ।
এর ঠিক পুর্ব মুহূর্তেও একবার
দপ করে জ্বলে ওঠে জীবন। এগিয়ে যায়
ঝন্ঝার মত সামনে । অথবা
অনন্ত নীরবতায় ।

যখন আশার দেয়াল ধবসে পড়ে
বিশ্বাসের পর্বত উড়ে যায় তুলোর মত
ভালোবাসার সাগর শুকিয়ে চৌচির
কিংবা কল্পনার আকাশে অস্ত যায় সুর্য
ধূসর হয়ে যায় মোহময় চাঁদ তারাগুলি ।

তখনো ছোটে আদমের বংশধর অজানায়
করে হাহাকার-
জীবনে উন্নতি করতে হবে । গড়তে হবে সম্পদের পাহাড়
অবিরাম ছোটে শয়তানের চাকচিক্যময় মরিচীকায় ।

মানুষের মোহ কাটে না ।
যতক্ষণ না তাকে স্পর্শ করে মৃত্যুর পয়গাম ।




শুক্রবার, জুন 18, 2010

শনিবার, ২৯ মে, ২০১০

প্রত্যাশা

এই যে মোলায়েম রক্তিম গোধূলী আলো
চিকচিক সবুজের প্রান্তে হেঁটে যেতে লাগে ভালো
চাই অনন্ত পথ । হৃদয়ের পাঠশালায় জমুক নৈসর্গজল
ধুয়ে যাক কালিমার পিচঢালা সড়ক। হোক সুনির্মল
মাটি ও মানুষ। মরিচীকার গহ্বরে হারায় যদিবা কেউ
ফিরে আসুক সে , মাখুক শরীরে ধ্রুব সত্যের ঢেউ ।





 শনিবার, মে 29, 2010

শুক্রবার, ২৮ মে, ২০১০

আহ্বান

প্রখর রৌদ্রে ভেজা তিক্ত ধুলোর মাঝে
থাকতে চায়না মন মাটি ও মানুষের ভাঁজে
কাগজের মত। জুড়াতে চাই নিজেকে সবুজ শাখায়
উড়তে চাই অনন্ত শূণ্যতায় পায়রার নীলিম পাখায়।
ঐ ডাকে শান্তির সুবাতাস হাতে নিয়ে সত্যের পয়গাম
এসো মিলি একসাথে হৃদয়ে হৃদয় গেয়ে মুক্তির জয়গান।





শুক্রবার, মে 28, 2010

সোমবার, ২৪ মে, ২০১০

ডাক


তপ্ত আঁধারের পানে ডাকো যবে করুণ গলায়
ক্রন্দনের মত শুনি হয়তো তোমার অজান্তে
চলেছো বক্রপথে। গালিচার শেষ প্রান্ত মিশেছে গিয়ে এক
কৃষ্ণ অগ্নিকুন্ডে। খুলে দাও বিবেকের রূদ্ধদ্বার কাঁটাভরা পথে
জানি, পৌঁছে যাবে একদিন অনন্ত সৌন্দর্যের রথে।





সোমবার, মে 24, 2010

রবিবার, ১৬ মে, ২০১০

একাকার


নিষ্ঠুরতার বিষম বাষ্প শুষে নিচ্ছে জীবন নির্যাস
পৃথিবীর সমতলে কমে যাচ্ছে 'মানুষ'
নির্মল অরণ্যে আজ বিচরণ ধাতব জন্তুর
মানব জন্তুর।

পৃথিবীর তলদেশ হতে আসছে যেন বর্বর বীজ
নষ্ট হয়ে যাচ্ছে জীবন ও জগত-
মানুষ যন্ত্রে আর পশুতে নেই কোন ভেদাভেদ
নির্মল অরণ্যে আজ বিচরণ ধাতব জন্তুর
মানব জন্তুর।





রবিবার, মে 16, 2010

শনিবার, ১৫ মে, ২০১০

চিনতে পারছেন কি ?

(এখানে প্রতি ৪ লাইনে একজন করে মন্ত্রী/নেতার বৈশিষ্ট্য লেখা হয়েছে । চিনতে পারলে উত্তর দিন । যেমন , ৬. ইডেনের ছাত্রলীগ নেত্রী )

১.
দলের মহাসচিব তিনি
নিবেদিত মন দেহ,
ছাত্রলীগে শিবির আছে
কী ভয়ানক সন্দেহ !

২.
রাজাকার হইলেও তিনি
প্রধানমন্ত্রীর বেহাই ,
যুদ্ধাপরাধ তকমা থেকে
তাইতো পেলেন রেহাই !

৩.
বিষতত্ত্ব চর্চা তাহার
ভীষণ প্রিয় কাজ ,
নেত্রীকে তার করতে খুশি
ভাজেন পচা মাছ !

৪.
দেশের টাকায় ভারতীয়
সিনেমা করেন আমদানি ,
দেশকে জাতে তুলতে হবে
দেশপ্রেম তার খানদানি !

৫.
জনগনের ঘামের টাকায়
ঘোরেন দেশে দেশে ,
ভিক্ষার ঝুলিতে জোটে
আন্ডা অবশেষে !

৬.
অগাধ তাদের ভালোবাসা
প্রিয় নেতার জন্য ,
তাইতো নিজের দেহ দানে
জীবন করে ধন্য !

৭.
বিডিআর বিদ্রোহে তিনি
দিয়েছিলেন মন্ত্রণা ,
আজো বহাল তবিয়তে
রয়েছে সেই যন্ত্রণা !

৮.
এমপিও ভুক্তিতে মামায়
দেখালেন কি খেল ,
বাতিল হলো সেই লিস্টি
টাক্কু মাথায় বেল !

৯.
ভিকারুন এ ভর্তি নিয়ে
বেশ কামালেন নুন ,
মুখোশ পড়া সুশীল মুখে
পড়লো একী চুন !

১০.
ব্যাংকের এমডিকে মারতে
পাঠিয়ে দিলেন গানম্যান ,
দুর্ভাগা এ দেশটি আমার
ক্ষমতায় আজ আন-ম্যান !





শনিবার, মে 15, 2010

মঙ্গলবার, ১১ মে, ২০১০

গন্ধমের আহ্বান

১.
গন্ধমের গন্ধ আজও তাড়া করে ফেরে আমায়
আমারই বাম পাজর ডাকে বারবার করতে অবগাহন
গন্ধমের আদিম জৈবিক তাড়নায় ।
সযত্নে এড়িয়ে চলি মোহময় সেই আহ্বান
জানি, সেতো অভিশপ্ত শয়তানের বাহন ।

২.
কালনাগিনী দের অবাধ বিচরণ নমিত করে দেয়
আমার চোখ । তাদের অবিরাম ফোঁস ফোঁস শব্দ
কাঁপন ধরায় বুকে । অনেকেই তাদের ছোবলে হয়ে গেছে নীল
অচ্ছেদ্য মায়াজালে তারা আজ হচ্ছে সারাক্ষণ জব্দ
কী যে আতঙ্ক , কখন যেন ছুটে যায় নীতি বন্ধনের খিল !



মঙ্গলবার, মে 11, 2010

শনিবার, ১ মে, ২০১০

আমার পুনর্জন্ম দিবস

আজ আমার পুনর্জন্ম দিবস । ৬ষ্ঠ বার্ষিকী।
দিনটি ছিল শনিবার। ১লা মে ২০০৪ ।
প্রিয় প্রভু সেদিন আমাকে ফিরিয়ে দিয়েছেন
জান্নাতের দ্বার থেকে। প্রিয় নবী (সাঃ) হয়তোবা
মুচকি হেসেছেন তাঁর ওহুদের দাঁতের ঔজ্জ্বল্যে সেদিন ।
আমার ঠোটের আগা হতে
ফিরিয়ে নেয়া হয়েছিল শাহাদাতের অমিয় সুধা।

সেদিন আমার কচি মুখের ‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনি
হয়তোবা ফেরেশতারা শুনেছিল গানের পাখির মতো
আর বাতিলের অন্তরে বিধেছিল তীক্ষ বিষ-বাণ

তারা চেয়েছিল আমার ছোট্ট শরীরটাকে
মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে। আর আল্লাহ ,
আমার প্রভু চেয়েছেন আমার শরীরে আরো মাটি
চেয়েছেন আমার মাটি মুখে বলিষ্ঠ উচ্চারণ
‘আল্লাহু আকবার’ ‘আল্লাহু আকবার’।
তাই আমাকে ফিরিয়ে দিয়েছেন প্রভু
জান্নাতের দ্বার থেকে। আমার ঠোটের আগা হতে
ফিরিয়ে নেয়া হয়েছিল শাহাদাতের অমিয় সুধা।

যে কবিতা লেখার কথা ছিল তোমার , তা আজ
লিখতে হচ্ছে আমাকে। হয়তোবা আজ তুমি আমায়
দেখতে পেতেনা এখানে । যেমনি পাওনা আব্দুল মালেককে।
শহীদের ভীড়ে অনুজ্জ্বল আমাকে হয়তো চিনতেনা সহজে
তবু আমি থাকতাম সেখানে, এখানে। জান্নাতে ।
আর তোমাদের অবচেতনায় ।

আজ আবার এই পঙ্কিল পৃথিবীতে পাপিষ্ঠ আমি
বাড়াচ্ছি আমার পাপ । তবুও প্রার্থনা একটাই, প্রভূ
আমার পুনরূথ্থান যেন হয় সেই রক্তমাখা শরীরে
লাল হয়ে যাওয়া সেই শার্ট যেন জড়িয়ে থাকে
পাপের প্রলেপ মাখা আমার ক্ষীণ কায়ায় ।



শনিবার, মে 1, 2010

বৃহস্পতিবার, ২৯ এপ্রিল, ২০১০

ব্যবধান


ঘোরলাগা বর্ষায় তুমি যখন উড়ছ রোমান্টিক হাওয়ায়
আমার দেয়ালে ক্লান্ত টিকটিকি ঘুমায় নিশ্চিন্তে
কেউবা তখনো হাটে উল্লম্ব দেয়ালে খাদ্যের খোঁজে।

উত্তর পশ্চিম কোণে জালে বসে ডিমে তা দেয় মা মাকড়সা
পরম মাতৃত্বে । পুবের ডোবায় ব্যাঙেরা ডাকে সারাক্ষণ
আদিম জৈবিক আকাঙ্খায় । তোমারও মনের গহীন কোণে
হয়তোবা ডাকে কোন ব্যাঙ। ভিন্ন কোন অস্তিত্বের চাওয়ায় !

অবাধ্য বৃষ্টির ছাট ভেজায় তোমার সাজানো ব্যালকনি
গ্রীলের ফাঁক দিয়ে বাড়িয়ে দেয়া রোমাঞ্চিত হাত
টিপয়ে পড়ে থাকে ঠান্ডা কফির মগ। পাশের বস্তিতে
অনুকুল চন্দ্রের ছাপড়া ঘরেও তখন ঝরে বৃষ্টি
আকাশ থেকে, দুচোখ থেকে।

নষ্ট হয়েছে পুরনো টিন ফুটোয় ভরা ছাদ
দুদিন ধরে নেই কোন কাজ, রান্না হয়নি ভাত।
বেখবর তুমি ! জানালা খুলে সোফায় শূয়ে
বৃষ্টির রোমাঞ্চে শুনছো শ্রীকান্তের গান, পরম স্বস্তিতে !



 বৃহস্পতিবার, এপ্রিল 29, 2010

বুধবার, ২৮ এপ্রিল, ২০১০

এসেছে ফিরে বুড়ো বাকশাল

পড়েছে এই দেশটা আবার
বাকশালেরই খপ্পড়ে
উন্নয়নের প্রদীপ যে তাই
যাচ্ছে নিভে দপ করে !

ওল্টালে পত্রিকার পাতা
বুকটা ওঠে ধপ করে
ফলের মত মানুষ গুলোর
যাচ্ছে জীবন টপ করে !

টাকা পয়সার গন্ধ পেলেই
পড়ছে বসে থপ করে
সত্যি সবই চোখের দেখা
বলছি যে হ-লপ করে ।

টেন্ডারগুলো আলুর মত
ভর্তা ভাজি চপ করে
অস্ত্র দিয়ে সব হটিয়ে
খাচ্ছে গিলে গপ করে !

করছে বন্ধ যখন তখন
টিভি-পেপার ঝপ করে
আসছে ফিরে বুড়ো বাকশাল
পাকা চুল ক-লপ করে !

বিরোধী দলের মামলার স্তুপ
বাড়ছে যে বে-ঢপ করে
জনগনের নাভিশ্বাস আজ
উঠছে যেন ভপ করে !

ত্রাহি ত্রাহি দেশের মানুষ
আল্লাহ রসুল জপ করে
সময় এলেই বাকশালীদের
ধরবে টুটি ঘপ করে !


 বুধবার, এপ্রিল 28, 2010

সোমবার, ২৬ এপ্রিল, ২০১০

পরজীবি


আর ভালো লাগে না মনুষ্য জীবন। ইচ্ছে করে বাঁচতে
পরজীবির মত। শুষে নিতে জীবনরস অমানুষদের
মস্তিষ্ক থেকে । চাই নিষ্কলুষ জীবন ও সমাজ ।

ইচ্ছে করে বাঁচতে পরজীবির মত। শুষে নিতে
যতসব পাশবিকতা এই ধরায় । এখানে থাকবে
শুধু মানুষ। পরজীবি নয় ।

আর ভালো লাগে না তথাকথিত মনুষ্য জীবন। ইচ্ছে করে
বাঁচতে পরজীবির মত। প্রকৃত পরজীবি।



সোমবার, এপ্রিল 26, 2010

রবিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১০

গর্ভ

কোন মানুষ দেখেনি কখনো তার উৎপত্তিস্থল। জানে নাই কিছুই
ছিল যখন সে একটি শুভ্র শিশির বিন্দু । পৃথিবীর লৌকিকতায়
ভুলে যায় ফিরবার কথা। তবুও ফিরতে হয় অবেলায়
নিজের অজান্তে নতুন এক বৃহৎ গর্ভে।

গর্ভ থেকে গর্ভে । এটাই জীবনের শুরু ও সমাপ্তির গান ।




রবিবার, এপ্রিল 25, 2010

শনিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০১০

আইটেম বিড়ম্বনা

1.
Shahosh kore darai jakhon,
Arup sir er shamne...
Bolen tini shomoy je nai,
Item nibo kamne?

Kamrul sir sujog peye,
Dilen amay dholai...
Ami vabi kamon kore,
Ekhan theke polai !

Dag poreni pharma card a,
Purota tai khali...
Hotovombo ishrat madam,
A tui ki dekhali !

Khojen amay sharoj sir a,
Chhecha dewar jonno...
Bondhura koy ore mumu,
Dhonno tumi dhonno !

Ekmatro forensic ei,
Ashar alo pai...
Habib sir thakle takhon,
Cardkhani pathai !

2.
Vaggo valo noito eka,
Aro ko'jon achhe...
Achhi shobai dourer upor,
Pichhiye pori pachhe !

2nd prof er khub beshidin,
Neito baki ar...
Sent up niye buker vitor,
Cholchhe je tolpar.

Item niye taito ekhon,
voy korina amra...
Gayer opor joriyechhi,
Gondareri chamra !

Porichiti(for my friends out of CMC):-1.Arup sir-Microbiology teacher
2.Kamrul sir-Pathology teacher
3.Ishrat madam-Pharmacology teacher
4.Sharoj sir-Head of community medicine
5.Habib sir-Forensic medicine teacher
6.Mumu-Mu. Muhsin Abdullah
7.Item-One kind of exam in medical college



শনিবার, এপ্রিল 24, 2010

শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১০

পাতিমন্ত্রী

১.
গায়ে কালো কোট আছে তার
মাথায় বিশাল টাক
সেথায় বিশেষ কিছু ঢালতে
চেষ্টায় থাকে কাক !
২.
বটতলার উকিল তাকে
বলেন যখন শওকতে
একের পর এক মামলা ঠুকেন
মানহানির মওকতে !
৩.
জামাত শিবির দমন তাহার
একমাত্র ধ্যান জ্ঞান
মাইক মিডিয়া সামনে পেলেই
করেন শুধু প্যানপ্যান ।
৪.
দূর্নীতি করিয়া কোর্টে
হারান পিপি পদ
এখন তিনি পাতিমন্ত্রী
কী বিপদ বিপদ !
৫.
আপনারা তো চেনেন তাকে
স্বরাষ্ট্র ‘প্রতিবন্ধি’(!)
ইবলিশের সাথে যাহার
আছে বিশেষ সন্ধি !
৬.
জানা ছিল সবই আগে
রেডি ছিল কপ্টার
উড়ে গেলেন রাজশাহীতে
ঘুরিয়ে দিলেন নবটার !
৭.
ধরেন শিবির সবখানেতে
খালে বিলে জঙ্গলে
দিনরাত্রি হাত কচলান
এই দেশেরই মঙ্গলে !
৮.
ইসলামের নাম শুনলে যে তার
গায়ে আসে জ্বর
লুসিফারে করছে শুনি
তাহার ওপর ভর !
৯.
বাবরের অবস্থা দেখে
শিক্ষা নিতে তারে কই
নইলে বাছা টেরটি পাবেন
ঘাড়ে হাড়ে হাড়ে সই !



শুক্রবার, এপ্রিল 23, 2010

বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল, ২০১০

বোধোদয়

বেঘোরে পড়েছি মারা হাঁটতে গিয়ে ঘোরেল পথে
জাটকা ইলিশের মত পড়েছি আটকা অদৃশ্য ফাঁদে
শঠের মত ঢুকতে গিয়ে পরের মঠে। হাতে নাতে
পেয়েছি ফলাফল, ফাটিয়েছি গলাখানি চরম আর্তনাদে।

করেছিনু শুরু তাহা যাহা শিখিয়েছিলেন গুরু
প্রথম প্রথম বুকটা যেন কেঁপেছিল দুরুদুরু
অবশেষে হায় কী যে হলো সামান্য এক ভুলে
ঠ্যাং হাত আর পিঠের চামড়া উঠে গেলো সুদে-মূলে।

ভেবেছিনু ভাই সবাই বোকা আমিই শুধু চতুর
সেই ভুলেতেই ধনে মানে হয়ে গেনু ফতুর
কলমেরও মলম আছে বুঝিনু অবশেষে
ততক্ষণে পড়েছি মারা পিটুনিতে আর কেশে।




বৃহস্পতিবার, এপ্রিল 22, 2010

বুধবার, ২১ এপ্রিল, ২০১০

চেহারা খাতুন


সুন্দরী(?) এক মন্ত্রী আছেন
নূরানী(?) তার চেহারা
দেশটা যেন পালকি তাহার
র্যাব পুলিশ বেহারা ।

‘চিরুণী’ তার খুবই প্রিয়
চালান অভিযান
ধরেন তিনি সন্ত্রাসী না
বাচ্চা পোলাপান।

আতঙ্কে আজ জনগনের
মুখটা যখন কালো
বলেন তিনি, পরিস্থিতি
সব থেকে আজ ভালো !

রাতের বেলা গাছের ডালে
প্যাঁচায় মুচকি হাসে
এমনতরো মন্ত্রী যেনো
বারে বারে আসে !



 বুধবার, এপ্রিল 21, 2010

মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল, ২০১০

ধোলাই

এ কোন দেশে আছি রে ভাই
দুর্দশা তো ঘোর
দেশের ক্ষমতায় বসেছে
এ কোন ডাইনোসর !

খুনীরা হয় বিচারপতি
সৎলোকে ওএসডি
শকুনীর খপ্পরে নাকাল
দুর্ভাগা এ দেশডি।

আবু বকর খুন হলে তা
কোন ব্যাপার না !
ফারুক মারা গেলে আহা
বুক ফাটে কার না !

পুলিশের আজ একটাই কাজ
জামাত শিবির ধরা
চোর ডাকাতে মুচকি হাসে
পকেট যে তার ভরা!

নাই বিদ্যুত নাইরে পানি
নাইরে চুলোয় গ্যাস
না খেয়ে তাই দিনে দিনে
কমছে পেটের ব্যাস!

আমরা হলাম আমজনতা
মোদের কথা কে ভাবে
ডাইনোসরে ধোলাই খাবে
চালায় যদি এ ভাবে ।



মঙ্গলবার, এপ্রিল 20, 2010

সোমবার, ১৯ এপ্রিল, ২০১০

ত্যাগ


অন্ধ বাদুড়ের মত বদ্ধ তোমার চেতনার দ্বার
আলোকের ভয়ে তাই লুকাও অন্ধকারের কৃষ্ণপর্দায়
হৃৎপিন্ডের গহ্বরে গড়েছ নৃশংস কীটের আঁধার
পাশবিকতার বিমূর্ত চিত্র তোমার চোখের আভায়।

প্রতিটি লোমকূপের গোড়ায় নৃত্য করে খলনায়কের আত্নারা
সত্যের নির্মম নিঃশ্বাস তোমার দম বন্ধ করে অজান্তে
তবুও ডাকে সুন্দরের পূজারীরা, দেয়নি তোমাকে বাদ তারা
অহরহ রক্ত ঢালে বাঁচাতে তোমায়,সত্যের পথে ফিরে আনতে।




সোমবার, এপ্রিল 19, 2010

রবিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০১০

গরল

রোমান্টিকতার চৌদ্দগুষ্ঠি উদ্ধার করছে ধাতব সভ্যতা
মানুষগুলো হয়ে যাচ্ছে যন্ত্রমানব। লৌকিক ভব্যতা
কুড়ে কুড়ে খায় হৃদয়ের পাপড়ি। সময়ের শেকড় বেয়ে
উঠে আসে নৃশংস কীট। শুণ্য নিসর্গ পানে চেয়ে
ঝিম মেরে বসে থাকি আমি । একুশ বছর
বমন ক্রিয়ায় উগলে দিতে চাই অন্তরের গরল শহর ।



রবিবার, এপ্রিল 18, 2010